
আমরা সবাই এক একটা চলমান রহস্য। আমাদের প্রত্যেকের বুকের গহীনে আছে দিগন্ত বিস্তৃত এক নীল আকাশ, অথচ অদ্ভুত এক মায়ার টানে আমরা নিজেরাই নিজেদের চারপাশে তুলে রাখি অভেদ্য দেয়াল। কখনো সেই দেয়াল লোকলজ্জার, কখনো মিথ্যে অহমিকার, আবার কখনো তা শুধুই এক যান্ত্রিক জীবনের জঞ্জাল। সিন্দাবাদের মতো সাফল্য আর বৈভবের সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়েও জীবনের শেষ বেলায় যখন মানুষটি আবিষ্কার করেন—তার নোঙর ফেলার মতো কোনো আপন বন্দর অবশিষ্ট নেই, এমনকি নিজের সন্তানের হৃদয়েও না—তখন সেই শূন্যতাই হয়ে ওঠে বইটির মূল সুর। ১৯শে জুলাইয়ের পিচঢালা রাজপথ থেকে শুরু করে ট্রেনের কামরায় মৃত্যু ও জীবনের কাল্পনিক কথোপকথন—সবই যেন এক অনিবার্য সত্যের দিকে আমাদের ইশারা করে। বইটি আপনাকে বাধ্য করবে নিজের দিকে ফিরে তাকাতে। মনে করিয়ে দেবে যে, এই পার্থিব দেয়ালের ওপারেই আছে এক অবিনশ্বর আকাশ। আপনি কি তৈরি সেই দেয়াল পেরিয়ে নিজের ভেতরের মুক্ত আকাশকে খুঁজে নিতে
আমরা সবাই এক একটা চলমান রহস্য। আমাদের প্রত্যেকের বুকের গহীনে আছে দিগন্ত বিস্তৃত এক নীল আকাশ, অথচ অদ্ভুত এক মায়ার টানে আমরা নিজেরাই নিজেদের চারপাশে তুলে রাখি অভেদ্য দেয়াল। কখনো সেই দেয়াল লোকলজ্জার, কখনো মিথ্যে অহমিকার, আবার কখনো তা শুধুই এক যান্ত্রিক জীবনের জঞ্জাল। সিন্দাবাদের মতো সাফল্য আর বৈভবের সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়েও জীবনের শেষ বেলায় যখন মানুষটি আবিষ্কার করেন—তার নোঙর ফেলার মতো কোনো আপন বন্দর অবশিষ্ট নেই, এমনকি নিজের সন্তানের হৃদয়েও না—তখন সেই শূন্যতাই হয়ে ওঠে বইটির মূল সুর। ১৯শে জুলাইয়ের পিচঢালা রাজপথ থেকে শুরু করে ট্রেনের কামরায় মৃত্যু ও জীবনের কাল্পনিক কথোপকথন—সবই যেন এক অনিবার্য সত্যের দিকে আমাদের ইশারা করে। বইটি আপনাকে বাধ্য করবে নিজের দিকে ফিরে তাকাতে। মনে করিয়ে দেবে যে, এই পার্থিব দেয়ালের ওপারেই আছে এক অবিনশ্বর আকাশ। আপনি কি তৈরি সেই দেয়াল পেরিয়ে নিজের ভেতরের মুক্ত আকাশকে খুঁজে নিতে