
রবের সাথে সম্পর্ক মহান আল্লাহর সঙ্গে একজন মুমিনের সম্পর্ক কোনো আনুষ্ঠানিকতা কিংবা দায়িত্বের সীমায় আটকে থাকা কোনো অনুশাসন হিসেবে চিত্রিত করা যায় না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলার সঙ্গে একজন মুমিনের সম্পর্ক হলো অন্তরঙ্গ ভালোবাসা, এক আশ্রয়প্রবণ নির্ভরতা, এক পিপাসিত আত্মার আকুল পিয়াসা। একজন মুমিন বিভিন্ন উপায়ে, নানা কৌশলে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং তাঁর প্রিয়ভাজন হওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করেন। আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিভিন্ন উপাদান একজন মুমিন যখন একসাথে পেয়ে যান তখন মুমিনের পথচলা আরও সহজ ও মসৃণ হয়। এ ক্ষেত্রে ‘রবের সাথে সম্পর্ক’ বইটি একজন মুমিনের জন্য অমূল্য তোহফা বলা যায়। লেখক এ বইয়ে শব্দের শরীরে শেখান—কীভাবে আমলের শুদ্ধতা অর্জিত হয়, কীভাবে চিন্তার গভীরতা দিয়ে কুরআনের আয়াতগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়, কীভাবে রাতের প্রার্থনায় হৃদয় ঝরে পড়ে আল্লাহর চরণে। আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা, নিঃশর্ত ভরসা, রুহের গভীরতম প্রদেশে ইবাদতের স্বাদ আবিষ্কারের নিমগ্ন চেষ্টার প্রামাণ্য নথি এই বই। কখনো লেখক পাঠককে নিয়ে যান সাহাবিদের হৃদয়স্পর্শী জীবনে, কখনো আল্লাহর বন্ধুদের নিঃশব্দ ভক্তিতে। এই সব ঘটনার মাঝে জ্বলে ওঠে অনুপ্রেরণার শিখা। হৃদয়ে নিভে যেতে থাকা ঈমান হয় প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল। রবের প্রিয় আমল একজন মুমিনের জীবনে বহু বাসনা, বহু স্বপ্ন এবং বহু আকাঙ্ক্ষা ধরা দেয়। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে যে একটি আকাঙ্ক্ষা সর্বাধিক শ্বেত-শুভ্র উজ্জ্বলতায় দীপ্ত হয়ে ওঠে, তা হলো—মহান আল্লাহ তাআলার প্রিয়ভাজন হওয়া। একজন প্রকৃত মুমিনের হৃদয়জুড়ে এই বাসনাই সর্বাধিক নিবিড় হয়ে থাকে—রবের ভালোবাসা অর্জনের চিরসবুজ প্রত্যাশা। এই স্বপ্নের টানে সে ত্যাগ করে নিজের চাওয়া-পাওয়া, পদদলিত করে দুনিয়ার চাকচিক্য, নতজানু হয় পরম করুণাময়ের দরবারে। মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন বহু নেক আমল, বহু ইবাদত—যার মাধ্যমে প্রতিটি মুসলমান তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে, হতে পারে তাঁর প্রিয়। তবে সব আমল সমান নয়; কিছু আমল এমন রয়েছে, যেগুলোকে কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে তিনি বিশেষ মর্যাদা ও ঘনিষ্ঠতার বাহনে পরিণত করেছেন। এ বই তেমনই এক অনুপম সংকলন—আল্লাহর প্রিয় আমলগুলোর এক সুবিন্যস্ত ও প্রামাণ্য সমাহার। এর প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে কুরআন ও হাদিসের নির্ভরযোগ্য দলীল ও তার বিশ্লেষণ। মহান রবের এসব প্রিয় আমল বাস্তবায়নের মাধ্যমে একজন মুমিন নিজেকে আল্লাহর প্রিয় বান্দার কাতারে শামিল করতে পারেন। আল্লাহর দিদার লাভে ধন্য হতে পারেন। আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজ পরিত্যাগ করে এবং দুনিয়ার কষ্টের ভেতর দিয়ে আখিরাতের চিরস্থায়ী মর্যাদা লাভের পাথেয়ের সন্ধান পেতে পারেন। রবের মুখাপেক্ষী জীবনের চলমান স্রোতে মানুষ কখনো তৃষ্ণার্ত পথিকের মতো ছুটে চলে—কখনো খ্যাতির মরীচিকায়, কখনো ভালোবাসার প্রহেলিকায়, কখনো অর্থের মায়াজালে। কিন্তু যতই ছুটে চলে, ভেতরের অতৃপ্তি ততই বেড়ে যায়। একসময় সব পেয়ে হারিয়ে ফেলে নিজেকেই। একাকীত্ব, শূন্যতা ও নিঃস্বতা নিয়ে মুখাপেক্ষী হয় মহান আল্লাহর কাছে। আল্লাহমুখী হওয়ার পর হৃদয়ের সব চাওয়া, সব ভয়, সব আশা, সব নির্ভরতা কেন্দ্রীভূত হয় একমাত্র রবের দিকে। মানুষ তখন আর সৃষ্টির করুণা চায় না, বরং চায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি। মানুষ আর কারও প্রশংসায় উৎফুল্ল হয় না, নিন্দায় বিমর্ষ হয় না—সে শুধু দেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি। যারা জীবনের প্রতিটি কাজে, প্রতিটি ক্ষণে রবের নির্ভরতা খুঁজছেন, যারা ভরসা রাখতে চান এক চিরন্তন আশ্রয়ে—তাদের জন্য এক অনন্য উপহার ‘রবের মুখাপেক্ষী’। ভাঙা, ক্লান্ত, অবসন্ন হৃদয়কে নবজীবন দেওয়ার উপাদানসমূহ পাওয়া যাবে এই বইয়ে। আল্লাহমুখী হওয়ার এই পবিত্র যাত্রায় আপনার উপকারী বন্ধুর মতো হতে পারে এই বইটি। এই বইয়ের পাতায় পাতায় কুরআনের আয়াত, হাদিসের বাণী, সাহাবি ও সালাফদের জ্বলজ্বলে উদাহরণে ফুটে উঠেছে— কীভাবে একজন মুমিন তার জীবনের আশ্রয় ও ভরসা খুঁজে পায় একমাত্র রবের সান্নিধ্যে। লেখক হৃদয়গ্রাহী ভাষায় বিষয়টিকে পরিবেশন করেছেন, যা চরম গাফলতিতে আচ্ছন্ন হৃদয়েও কম্পন জাগাবে, চিন্তায় নিমগ্ন করবে নিজেকে, নিজের ঈমান ও আমলকে। অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে রবের কাছে নিজেকে সোপর্দ করার, সকল গাফলতি ঝেড়ে ফেলে সম্পূর্ণভাবে রবমুখী হয়ে ওঠার যে অভ্যন্তরীণ সাধনা—তার পথনির্দেশ, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় বিদ্যমান।
রবের সাথে সম্পর্ক মহান আল্লাহর সঙ্গে একজন মুমিনের সম্পর্ক কোনো আনুষ্ঠানিকতা কিংবা দায়িত্বের সীমায় আটকে থাকা কোনো অনুশাসন হিসেবে চিত্রিত করা যায় না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলার সঙ্গে একজন মুমিনের সম্পর্ক হলো অন্তরঙ্গ ভালোবাসা, এক আশ্রয়প্রবণ নির্ভরতা, এক পিপাসিত আত্মার আকুল পিয়াসা। একজন মুমিন বিভিন্ন উপায়ে, নানা কৌশলে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং তাঁর প্রিয়ভাজন হওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করেন। আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিভিন্ন উপাদান একজন মুমিন যখন একসাথে পেয়ে যান তখন মুমিনের পথচলা আরও সহজ ও মসৃণ হয়। এ ক্ষেত্রে ‘রবের সাথে সম্পর্ক’ বইটি একজন মুমিনের জন্য অমূল্য তোহফা বলা যায়। লেখক এ বইয়ে শব্দের শরীরে শেখান—কীভাবে আমলের শুদ্ধতা অর্জিত হয়, কীভাবে চিন্তার গভীরতা দিয়ে কুরআনের আয়াতগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়, কীভাবে রাতের প্রার্থনায় হৃদয় ঝরে পড়ে আল্লাহর চরণে। আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা, নিঃশর্ত ভরসা, রুহের গভীরতম প্রদেশে ইবাদতের স্বাদ আবিষ্কারের নিমগ্ন চেষ্টার প্রামাণ্য নথি এই বই। কখনো লেখক পাঠককে নিয়ে যান সাহাবিদের হৃদয়স্পর্শী জীবনে, কখনো আল্লাহর বন্ধুদের নিঃশব্দ ভক্তিতে। এই সব ঘটনার মাঝে জ্বলে ওঠে অনুপ্রেরণার শিখা। হৃদয়ে নিভে যেতে থাকা ঈমান হয় প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল। রবের প্রিয় আমল একজন মুমিনের জীবনে বহু বাসনা, বহু স্বপ্ন এবং বহু আকাঙ্ক্ষা ধরা দেয়। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে যে একটি আকাঙ্ক্ষা সর্বাধিক শ্বেত-শুভ্র উজ্জ্বলতায় দীপ্ত হয়ে ওঠে, তা হলো—মহান আল্লাহ তাআলার প্রিয়ভাজন হওয়া। একজন প্রকৃত মুমিনের হৃদয়জুড়ে এই বাসনাই সর্বাধিক নিবিড় হয়ে থাকে—রবের ভালোবাসা অর্জনের চিরসবুজ প্রত্যাশা। এই স্বপ্নের টানে সে ত্যাগ করে নিজের চাওয়া-পাওয়া, পদদলিত করে দুনিয়ার চাকচিক্য, নতজানু হয় পরম করুণাময়ের দরবারে। মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন বহু নেক আমল, বহু ইবাদত—যার মাধ্যমে প্রতিটি মুসলমান তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে, হতে পারে তাঁর প্রিয়। তবে সব আমল সমান নয়; কিছু আমল এমন রয়েছে, যেগুলোকে কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে তিনি বিশেষ মর্যাদা ও ঘনিষ্ঠতার বাহনে পরিণত করেছেন। এ বই তেমনই এক অনুপম সংকলন—আল্লাহর প্রিয় আমলগুলোর এক সুবিন্যস্ত ও প্রামাণ্য সমাহার। এর প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে কুরআন ও হাদিসের নির্ভরযোগ্য দলীল ও তার বিশ্লেষণ। মহান রবের এসব প্রিয় আমল বাস্তবায়নের মাধ্যমে একজন মুমিন নিজেকে আল্লাহর প্রিয় বান্দার কাতারে শামিল করতে পারেন। আল্লাহর দিদার লাভে ধন্য হতে পারেন। আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজ পরিত্যাগ করে এবং দুনিয়ার কষ্টের ভেতর দিয়ে আখিরাতের চিরস্থায়ী মর্যাদা লাভের পাথেয়ের সন্ধান পেতে পারেন। রবের মুখাপেক্ষী জীবনের চলমান স্রোতে মানুষ কখনো তৃষ্ণার্ত পথিকের মতো ছুটে চলে—কখনো খ্যাতির মরীচিকায়, কখনো ভালোবাসার প্রহেলিকায়, কখনো অর্থের মায়াজালে। কিন্তু যতই ছুটে চলে, ভেতরের অতৃপ্তি ততই বেড়ে যায়। একসময় সব পেয়ে হারিয়ে ফেলে নিজেকেই। একাকীত্ব, শূন্যতা ও নিঃস্বতা নিয়ে মুখাপেক্ষী হয় মহান আল্লাহর কাছে। আল্লাহমুখী হওয়ার পর হৃদয়ের সব চাওয়া, সব ভয়, সব আশা, সব নির্ভরতা কেন্দ্রীভূত হয় একমাত্র রবের দিকে। মানুষ তখন আর সৃষ্টির করুণা চায় না, বরং চায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি। মানুষ আর কারও প্রশংসায় উৎফুল্ল হয় না, নিন্দায় বিমর্ষ হয় না—সে শুধু দেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি। যারা জীবনের প্রতিটি কাজে, প্রতিটি ক্ষণে রবের নির্ভরতা খুঁজছেন, যারা ভরসা রাখতে চান এক চিরন্তন আশ্রয়ে—তাদের জন্য এক অনন্য উপহার ‘রবের মুখাপেক্ষী’। ভাঙা, ক্লান্ত, অবসন্ন হৃদয়কে নবজীবন দেওয়ার উপাদানসমূহ পাওয়া যাবে এই বইয়ে। আল্লাহমুখী হওয়ার এই পবিত্র যাত্রায় আপনার উপকারী বন্ধুর মতো হতে পারে এই বইটি। এই বইয়ের পাতায় পাতায় কুরআনের আয়াত, হাদিসের বাণী, সাহাবি ও সালাফদের জ্বলজ্বলে উদাহরণে ফুটে উঠেছে— কীভাবে একজন মুমিন তার জীবনের আশ্রয় ও ভরসা খুঁজে পায় একমাত্র রবের সান্নিধ্যে। লেখক হৃদয়গ্রাহী ভাষায় বিষয়টিকে পরিবেশন করেছেন, যা চরম গাফলতিতে আচ্ছন্ন হৃদয়েও কম্পন জাগাবে, চিন্তায় নিমগ্ন করবে নিজেকে, নিজের ঈমান ও আমলকে। অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে রবের কাছে নিজেকে সোপর্দ করার, সকল গাফলতি ঝেড়ে ফেলে সম্পূর্ণভাবে রবমুখী হয়ে ওঠার যে অভ্যন্তরীণ সাধনা—তার পথনির্দেশ, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় বিদ্যমান।